Thursday, December 24, 2015

বিনামূল্যে কাজ শিখতে ও কাজ করে আয় করতে চাইলে?

তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাবার লক্ষে, ফিউচার আইটি ইনস্টিটিউট দিচ্ছে এক অপূর্ব সুযোগ। অনলাইনে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চায়,তাদেরকে দিচ্ছে এই সুযোগ। অনেকে কাজ করতে চাই বা কাজ শিখতে চাই,কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে কী কাজ শিখবেন,কোথায় শিখবেন,শিখবে কী ইনকাম করা যায় এসব বিষয়ে নানান প্রশ্ন থাকে তাহলে এসব প্রশ্নের সঠিক উওর জানতে আমার ফিউচার আইটি ইনস্টিটিউট পেইজের সাথে যুক্ত থাকুন।
আপনারা যারা ইন্টারনেট ব্রাউজার করতে পারেন বা ইমেইল সম্পকে ভাল ধারনা আছে তাদেরকে দিচ্ছে ফিউচার আইডি ইনস্টিটিউটের সাথে কাজ করার অপূর্ব সুযোগ। আপনি যদি দিনে ৩/৪ ঘণ্টা আমাদের সাথে সময় দেন ,আপনি নিজে কাজ শিখতে পারবেন, পাশাপাশি ইনকাম করতে পারেন।
বিনামূল্যে কাজ শিখতে ও কাজ করে আয় করতে চাইলে রেজিস্ট্রেশন করুনঃ
http://futureitinstitute.com/worker-registration-form/

Friday, September 11, 2015

SEO কি?

SEO কি এবং কেন

SEO কি?


SEO বা Search Engine Optimization হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া

আভিধানিক অর্থে: SEO হচ্ছে কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর সার্চ রেঙ্কিং বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া। অর্থাৎ যে ওয়েবসাইট এর জন্য SEO করা হবে সে ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম পেজ এ আনার জন্য যে সকল প্রয়োজনীয় কলা কৌশল অবলম্বন করা হয় তাকে Search Engine Optimization বলে।


Image: SEO
Image: SEO
Note: এখান থেকে SEO সম্পর্কে আপডেটেড পোস্টটি পড়ুন।

একজন মানুষ এর পক্ষে শত শত ওয়েবসাইট মনে রাখা সম্ভব নয়। তাই এর জন্য তৈরী করা হয়েছে বিভিন্ন সার্চ-ইঞ্জিন। আর সার্চ ইঞ্জিন এর কাজ হচ্ছে লক্ষ্য লক্ষ্য ওয়েবসাইট এর লিংক এমন ভাবে সংরক্ষণ করা, যাতে ব্যবহারকারী যা চায় তা মোতাবেক ফলাফল প্রদর্শন করতে পারে। ধরা যাক, Google এর কথা। আপনি এর সার্চ বক্সে Bangladeshi newspaper লিখে সার্চ করলেন, Google ১০টি ওয়েবসাইট এর লিংক সম্বলিত সার্চ রেজাল্ট প্রদর্শন করবে। এখন আপনি নিশ্চই প্রথম লিংকটিতেই ভিজিট করবেন। অথবা ঐ ১০টির যেকোনো একটিতে। যাই হউক এখন খেয়াল করুন সার্চ রেজাল্ট এর পেজে এরকম কিছু প্রদর্শিত হবে -



Image: SEO
Image: Google Search Result


এখানে ৫,৫৭,০০০ টি ফলাফল দেখাচ্ছে, অর্থাৎ প্রায় ৫,৫৭,০০০টি ওয়েবসাইট Google প্রসেস করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে এত গুলো ওয়েবসাইট এর মাঝে Google কেন ঐ ১০টি ওয়েবসাইট কেই একেবারে প্রথম সার্চ রেজাল্ট পেজে স্থান দিলো? কারণ সে সকল ওয়েবসাইট একটি কৌশল অবলম্বন করেছিল। আর ঐ কৌশল এর নাম ই SEO অর্থাৎ Search Engine Optimization. 


যে ওয়েবসাইট এর SEO সবচেয়ে ভালো হবে সেই ওয়েবসাইট ততো বেশি অগ্রাধিকার পাবে। ঐ ওয়েবসাইট গুলো উন্নত SEO সম্পন করেছিল তাই সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে এবং প্রথম ১০ এ এসেছে এবং এর ফলে ঐ ওয়েবসাইট গুলো আরো বেশি ভিজিটর পেয়েছে। তাহলে বুঝতেই পারছেন SEO হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এর ট্রাফিক বা ভিসিটর বাড়ানোর মূল হাতিয়ার।

SEO এর প্রকারভেদ:

SEO দুই প্রকার। যথা: 

(১)অন পেজ অপটিমাইজেশন      
(২)অফ পেজ অপটিমাইজেশন 

অন পেজ অপটিমাইজেশন: 

পেজের ভিতর এ থেকে যে SEO সম্পন্ন করা হয়ে থাকে তাকে অন পেজ অপটিমাইজেশন বলে।

অফ পেজ অপটিমাইজেশন: 

পেজের বাহিরে থেকে যে SEO সম্পন্ন করা হয় তাকে অফ পেজ অপটিমাইজেশন বলে।

অন পেজ অপটিমাইজেশন কি? 

আমরা যখন কোন সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে কোন তথ্য খুঁজি, তখন সেই সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট তার সার্ভার এ থাকা সকল ওয়েব পেজ এর ভিতরের কোড গুলোকে Crawl করে অর্থাৎ পড়ে। যদি ব্যবহারকারীর খোঁজা তথ্যের সাথে কোন কোন পেজ এর ভিতরে থাকা তথ্যের সাথে মিল পায় তাহলে সার্চ রেজাল্টে সেই ওয়েব পেজ গুলোকে প্রদর্শন করে। তাই এর জন্য একটি ওয়েব পেজ এর ভিতরে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট কিছু Tag যেমন: Title tag, Meta tag ইত্যাদি ব্যবহার করে তথ্যপূর্ণ করা হয়। একেই অন পেজ অপটিমাইজেশন বলে। 

আরো ভালো করে বুঝতে একটি ওয়েবপেজ ডাউনলোড করুন এবং তা Notepad দিয়ে ওপেন করুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি Adobe Dreamwaver অথবা  Notepad++ দিয়ে ওপেন করা যায়। আমি এখানে Notepad++ ব্যবহার করছি। আপনার Notepad++ না থাকলে এখান থেকে Notepad++ ডাউনলোড করে নিন।
ওয়েবপেজ টি কে Notepad++ দিয়ে ওপেন করতে হলে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো ওয়েবপেজটিতে কার্সর রেখে রাইট বাটন ক্লিক করুন। এবং Open with সিলেক্ট করুন। Choose default Program... সিলেক্ট করুন এবং সেখান থেকে Notepad সিলেক্ট করুন। এবং Ok ক্লিক করুন। এতে পেজটি Notepad এ ওপেন হবে। খেয়াল করুন এভাবে কোড গুলো দেখা যাবে। 


Image: SEO
Image: Html Tags

'title' দিয়ে শুরু হওয়া ট্যাগ হলো টাইটেল ট্যাগ। 'meta' দিয়ে শুরু হওয়া ট্যাগ হলো মেটাট্যাগ। আর এই ট্যাগ গুলো head ট্যাগ এর ভিতরে থাকে। কোন সার্চ ইঞ্জিন এ যখন কোন কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করা হয় তখন সার্চ ইঞ্জিন এর রোবট ওয়েবসাইট এর এই ট্যাগ গুলোর ভিতরের লিখা গুলো কে পড়ে এবং বিশ্লেষণ করে। তাই এই ট্যাগ এ এমন কিছু তথ্য দিয়ে পূরণ করা হয় যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই বুঝতে পারে যে ওয়েবসাইটটি কি বিষয়ের উপর তৈরী হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সার্চ ইঞ্জিন ফলাফল প্রদর্শন করতে পারে।

কীওয়ার্ড: মেটাট্যাগ এর ভিতরে কীওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। উপরের html স্ট্রাকচার এর ৫ম লাইনে দেখেছেন কীওয়ার্ড গুলো কিভাবে লিখা আছে। "keyword1" এর জায়গায় যে সকল ওয়ার্ড বা শব্দ ব্যবহার করা হয় তা সার্চ ইঞ্জিন এর সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করা ওয়ার্ড বা শব্দ এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
সার কথা, সার্চ ইঞ্জিন এর সার্চ বক্সে যা লিখে সার্চ করা হয় তা ই কীওয়ার্ড। 

অফ পেজ অপটিমাইজেশন কি?

পেজ এর বাহিরে থেকে একটি পেজ কে আরো তথ্য বহুল করা যায়। যেমন: জনপ্রিয় কোন ওয়েবসাইট, ফোরাম এ একটি ওয়েব সাইট এর বিবরণ ও ওয়েবসাইটটির লিংক ব্যবহার করে কমেন্ট করে। এতে যখন কোন ভিজিটর ওই জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এ উক্ত কমেন্ট পড়বে এবং লিংকটি  দেখবে তখন সে ওই লিংক এ ক্লিক করে উক্ত ওয়েবসাইটটিতে চলে যেতে পারে। একে বলে ব্যাক লিংক তৈরী করা। এভাবে যে কাজ গুলো করে ওয়েবসাইট এর ভিজিটর বাড়ানো যায় তাই হলো অফ পেজ অপটিমাইজেশন। এটাকে "পেইড এস ই (Payed SEO)" ও বলা হয়ে থাকে।


কিভাবে অফ পেজ অপটিমাইজেশন করবেন? 

  • অফ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য অবশ্যই একটি আলাদা ইমেইল ব্যবহার করবেন। ব্যক্তিগত ইমেইল ব্যবহার না করাই ভাল। 
  • এবার আপনার সাইট এর সাথে সংগতিপূর্ণ জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, ফোরাম গুলো খুঁজে বের করুন। এবং সেখানে কমেন্ট করার জন্য যদি একাউন্ট খোলার প্রয়োজন হয়, তবে একাউন্ট খুলুন। 
  • আপনার পেজ এর বর্ণনা লিখে MS Word এ সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। তাহলে বারবার লিখার ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।
  • এরপর কমেন্ট করতে গেলে ওই বর্ণনা কপি-পেস্ট করুন। এবং কমেন্ট এর মাঝ খানে উপযুক্ত স্থানে আপনার ওয়েবসাইট এর একটি লিংক দিয়ে দিন।তাহলে আপনার কমেন্ট স্পাম হিসেবে চিহ্নিত হবে না। 
  • অনেক ফোরাম কমেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে Anchor text ব্যবহার এর সুবিধা দিয়ে থাকে। Anchor text এর url অংশে ওয়েবসাইট লিংক ব্যবহার করুন এবং text অংশে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

যারা অনলাইনে এই আর্টিকেল পড়তে সময় পাচ্ছেন না, তারা SEO শেখার বাংলা ইবুক টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 

Friday, August 28, 2015

আপনার টাইমলাইনে পর্নো ? ফেইবুক অ্যাকাউন্ট ডিজিবল করে রাখছেন এবার সমাধান নিন।

দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অনুসঙ্গ প্রযুক্তি। কিন্তু এই প্রযুক্তিই আবার ভোগান্তি ডেকে নিয়ে আসে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কখনো-কখনো পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। যদি হঠাৎ শোনেন আপনার ফেসবুক পেজ থেকে পর্নো সাইটের লিংক ছড়াচ্ছে। তখন নিশ্চয়ই আপনার মান-সম্মানের বারোটা বেজে যাবে। একটু কৌশলী হলে এই বিব্রতকর সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আসুন জেনে নেই সেই উপায়টি।
এটা এক ধরনের হ্যাকিং। এখন তাহলে কীভাবে বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে? আপনি যতবার ফেসবুকে লগইন করেন, ততোবারই ফেসবুকে সেই সেশনটা নোট করা হয়। যেমন: আপনি কোথা থেকে প্রোফাইল খুলেছেন, কখন খুলেছেন ইত্যাদি। দেখার জন্য প্রথমে Settings-এ ক্লিক করুন। সেখান থেকে Account Settings> Security> Where You’re Logged In. এখানেই আপনি যাবতীয় তথ্য পাবেন। যদি দেখেন আপনি ওই একই সময়ে লগইন করেননি তবে বুঝবেন আপনার অ্যাকাউন্টটি অন্য কেউ ব্যবহার করছে বা হ্যাক করা হয়েছে। এর পর যা যা করবেন:-
১. পাসওয়ার্ড পাল্টে ফেলুন: হ্যাক হয়েছে বুঝতে পারলেই পাসওয়ার্ডটি সবার আগে পাল্টে ফেলুন। যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড পাল্টে দিয়ে থাকে তবে লগইন করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে Forgot Password-এ ক্লিক করে ইমেলে জেনারেটেড পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে তারপর পাসওয়ার্ড পাল্টান। পাসওয়ার্ড পাল্টাতে হলে ফলো করুন: Setting>General Account Settings>Password
২. রিপোর্ট করুন: সবার আগে ফেসবুককেই জানান যে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বা অন্য কেউ সেটি ব্যবহার করছে। কীভাবে জানাবেন: যে ব্রাউজারে আপনার অ্যাকাউন্ট লগইন করছেন সেখানই আরেকটি ট্যাব খুলে টাইপ করুন Facebook Help Center. যে পেজটি খুলবে সেখানে Security- এর মধ্য সবার উপরে Hacked Accounts ট্যাবের মধ্যে অনেকগুলো অপশন পাবেন। যেটি সব থেকে ঠিক মনে হবে সেটি ক্লিক করে রিপোর্ট জানান ফেসবুককে।
৩. ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ: ফেসবুকে জানানোর পর বন্ধুদের জানান। যদি প্রত্যেককে আলাদা করে জানানো সম্ভব না হয় তবে ওয়ালে লিখে টিউন করে জানান যে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক্‌ড হয়েছিল। যদি আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও খারাপ টিউন চোখে পড়ে বা কোনও লিঙ্ক চোখে পড়ে তা যেন ক্লিক না করেন। সেটা ব্লক করে ফেসবুকের কাছে Report Spam করেন। এভাবে যতটা সম্ভব সকলকে সতর্ক করুন।
৪. সন্দেহজনক অ্যাপস মুছে দিন : অনেক সময় বিভিন্ন লিঙ্কে ক্লিক করে যখন কোনও অ্যাপ খোলেন তখন আপনা থেকেই সেটা আপনার অ্যাকাউন্টের অ্যাপ লিস্টে অ্যাড হয়ে যায়। সেই অ্যাপ থেকেও অনেক সময় আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পাচার হয় এবং হ্যাকারদের সুবিধা করে দেয়। ফলে সন্দেহজনক কোনও অ্যাপ চোখে পড়লেই সেটা ডিলিট করুন। কীভাবে করবেন: Account Settings>Apps.এখানে অ্যাপ লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখানে Show All করে ভালো করে দেখুন। যেটা ডিলিট করার হবে, মাউস পয়েন্টার সেখানে নিয়ে যান, সেখানেই ক্রস (X) চিহ্ন দেখতে পাবেন। সেটায় ক্লিক করলেই তা ডিলিট হয়ে যাবে।
৫. সতর্ক থাকুন: যদি এমন ঘটনা ঘটে তার পর অবশ্যই সতর্ক হয়ে যান। কোনও অচেনা অজানা লোকের কাছ থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করবেন না। যদি বর্তমান ফ্রেন্ড লিস্টে কোনও সন্দেহভাজন থাকেন, তাকে সরিয়ে দিন। একটা কথা মনে রাখবেন, দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। সাতক্ষীরা আইটি .